logo

Copyright ©2019 HASBD

November 25, 2016

নারীর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার কৌশল

Category: Women Health,

নারীর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার কৌশল

স্বাস্থ্যকর অভ্যাস দীর্ঘায়ু জীবনের চাবিকাঠি। দীর্ঘায়ুর জন্য রোগমুক্ত থাকা জরুরী। রোগমুক্ত থাকার জন্য নিচের অভ্যাসগুলি তৈরী করে নিন-

স্বাস্থকর খাবার খানঃ

প্রক্রিয়াজাত খাবারে লবণ ও চিনির পরিমাণ বেশি থাকে। স্বসুস্থ থাকতে প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিয়ে নিচের খাবারগুলি খান-

  • সতেজ শাকসবজি ও ফলমূল
  • আঁশযুক্ত খাবার
  • তাজা মাছ
  • বাদাম, অলিভ অয়েল

 

পর্জাপ্ত ভিটামিন গ্রহন করুনঃ

দৈনন্দিন ভিটামিনের চাহিদা পূরনের জন্য আমরা সাধারনত মাল্টিভিটামিন নিয়ে থাকি। তবে এক্ষেত্রে ভিটামিনযুক্ত ন্যাচারাল খাবার খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রতিদিন বৈচিত্রময় খাবার খেলে প্রাকৃতিকভাবেই আপনার ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব দূর হবে।

 

দেহ সচল রাখুনঃ

হার্ট ডিজিজ বর্তমান বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। নিয়মিত ব্যায়াম হার্ট ডিজিজের ঝুকি হ্রাস করে। শরীর সুস্থ রাখতে সপ্তাহে কমপক্ষে ৪ দিন ন্যুনতম ৩০ মিনিট হালকা ব্যায়াম (যেমন হাটা, সাতার কাটা, জগিং ইত্যাদি) করুন। যারা নিয়মিত নাচের প্রাকটিস করেন, তাদের হার্ট ডিজিজের ঝুকি অন্য নারীদের তুলনায় কম।

 

বাজে অভ্যাসগুলি (যদি থাকে) পরিত্যাগ করুনঃ

পান বা তামাকের অভ্যাস থাকলে বাদ দিন। ধুমপান করবেন না। পরোক্ষ ধুমপান থেকে বিরক থাকুন।

 

নিজের স্তন সম্পর্কে জানুনঃ

২০ বছর বয়স থেকেই স্বেচ্ছায় নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করা উচিত। প্রত্যেক নারীরই ৪০ বছর বয়স থেকে বছরে অন্তত একবার ম্যামোগ্রাম করা উচিত। এই সময়ে স্তন ক্যান্সার হবার ঝুকি সবচেয়ে বেশি থাকে। স্তন ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে নিয়মিত মেডিক্যাল চেকআপ জরুরী।

 

চাপ সামলানঃ

বর্তমান সময়ে নারীরা বেশ চাপে থাকেন। তাদেরকে ক্যারিয়ার, সন্তান, পরিবার, বন্ধুবান্ধব একসাথে সামলাতে হয়। এই সমস্ত কারণে নারীরা বিভিন্ন ধরনের চাপের সম্মুখীন হন, যেমন-

  • উচ্চ রক্তচাপ
  • পেটের পীড়া
  • ব্যাক পেইন
  • সম্পর্কের টানাপোড়েন
  • ঘুমের সমস্যা
  • পেটে চর্বি জমা ইত্যাদি

 

চাপ সামলে নেবার জন্য নিচের কাজগুলে করতে পারেনঃ

  • থ্যারাপি
  • মেডিকেশন
  • যোগ ব্যায়াম
  • হালকা ব্যায়াম- যেমন হাটা, জগিং ইত্যাদি
  • নামাজ পড়া বা অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনা করা

 

নিয়মিত মেডিক্যাল চেকআপ করুনঃ

নিয়মিত রক্তচাপ ও ওজন মাপুন এবং স্বাস্থ সম্পর্কে সচেতন থাকুন। বছরে অন্তত একবার হলেও আপনার সামগ্রিক শারীরিক বিষয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।